ইন্টারনেট মাদ্রাসার তলেব/তলেবাদের বেফাক বোর্ড রেজাল্ট

যারা ইন্টারনেট মাদ্রাসা থেকে দাওরায়ে হাদীস শেষ করেছেন

Photo

আলেমা

লামিয়া ইয়াসমিন

পিতার নামঃ মোঃ আলী আজম ভূইয়া

SID: DWMA202324012

মাতার নামঃ শামীমা আজম

বয়সঃ ২৮ বছর

ঠিকানাঃ মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

পাশের সন ২০২৪

পেশাঃ গৃহিণী

Photo

আলেমা

মাহমুদা হক্ব

পিতার নামঃ মোঃ মোহাম্মদ আলী

SID: DWFA202324009

মাতার নামঃ কোহিনুর বেগম

বয়সঃ ২১ বছর

ঠিকানাঃ মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

পাশের সন ২০২৪

পেশাঃ ছাত্রী

অনুভূতিঃ এই মাদ্রাসার সন্ধান আমার জীবনে একটি স্বপ্নের মতো ছিলো । কোন একটা সমস্যার কারনে যখন আমার দাওড়া পড়া বন্ধ হয়ে যায় আমি নিজে থেকে ভেঙ্গে পরি.. আমি মনে করেছিলাম হয়তো আমি দাওড়া হাদিসের দরস আর কখনোই করতে পারবো না. রবের কাছে কান্না করা ছাড়া কোন উপায় আমার জানা ছিল না. হয়তো আমাকে আমার রবকবুল করেছেন হাদিসের বরকত ময় দরসের জন্য,। আমার এক বোনের কাছ থেকে এই অনলাইন মাদ্রাসার খোজ পাই.. আমি নিজেও প্রথম ভেবেছিলাম অনলাইন মাদ্রাসা এখানে কেমন আর পড়াশোনা হবে... আসলেই এই মাদ্রাসার সাথে পরিচয় না হলে আমি বুঝতে পারতাম না. অনলাইন ও এমন উত্তম কিছুর পথ দেখায়.. এই মাদ্রাসার সাথে পরিচয় না হলে হয়তো আমার ইলম অর্জন করার রাস্তা টুকু বন্ধ হয়ে যেতো । আসলে এই মাদ্রাসার সাথে কেউ পরিচিত না হলে বুঝতে পারবেনা যে অনলাইন জগতেও এমন একটা ভালো প্রতিষ্ঠান রয়েছে! এই মাদ্রাসার সম্মানিত উস্তাদগনের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা ইলম অর্জন করতে পেরেছি। আমাদের মত জ্ঞান পিপাসিত মেয়েদের জন্য এই মাদ্রাসা একটা স্বপ্নের মত.! এত ভালো এবং এত মর্যাদা সম্পূর্ণ উস্তাদের কাছে দরস করার তৌফিক আমার রব আমাকে দিয়েছেন! আমি জানি না এর শুকরিয়া আমি কিভাবে আদায় করবো! আমি মনে করি আমার ভাগ্য আল্লাহ তাআলা এমন ভালো করেছেন বিধায় এমন সম্মানিত উস্তাদের দরস করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ..!! আলহামদুলিল্লাহ..!! আলহামদুলিল্লাহ..!! আমার অনুভূতি অনুযায়ী অনলাইন মাদ্রাসা সম্পর্কে লিখতে গেলে হয়তো শেষ হবে না... এখানে ইলমের পাশাপাশি আমলের দিকেও কত নজরদারি কতটা গুরুত্ব দেওয়া হয় আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ..!! আমি আল্লাহ তাআলার কাছে সব সময় এই দোয়া করি এই মাদ্রাসার সম্মানিত উস্তাদগনকে নেক হায়াত দান করুক এবং এই মাদ্রাসাকে আল্লাহ তাআলা যেন কেয়ামত পর্যন্ত ইলম অর্জন ও আমলের জন্য কবুল করেন..!! আমার সম্মানিত উস্তাদগনের কাছে আমার জন্য দোয়ার দরখাস্ত যেন আমি হেদায়েতের পথ ধরে রাখতে পারি এবং ইলম অর্জনের সাথে সর্বদা লেগে থাকতে..!!

Photo

আলেমা

সাদিয়া বুলবুল

পিতার নামঃ মুহাম্মাদ মঞ্জুরুল আলম

SID: DWFB202324001

মাতার নামঃ ফেরদৌসী আলম

বয়সঃ ৩৭ বছর

ঠিকানাঃ বনশ্রী, ঢাকা, বাংলাদেশ

পাশের সন ২০২৪

পেশাঃ শিক্ষিকা

অনুভূতিঃ আজ থেকে ১৪ বছর আগের কথা, পবিত্র কুরআন এর বাংলা অর্থ পড়ছিলাম সেই প্রথম। কিছু কিছু ঘটনা বুঝলাম কিন্তু অনেক কিছু অস্পষ্ট। ভাই বলল 'দুনিয়ার শুরু থেকে শেষ, সব বিষয়ে কুরআন এ বলা আছে। তার জন্য পবিত্র কুরআন এর ব্যাখ্যা বুঝতে হবে । কিন্তু ব্যাখা নিজে পড়ে বুঝা যায় না। একজন বিজ্ঞ উস্তাদের মাধ্যমে বুঝতে হবে। নিজে পড়ে বুঝার চেষ্টা করলে, অর্থ বিকৃত হয়'। তখনই মনে হল, 'ইশ আমি যদি মাদরাসায় পড়তাম!' দুনিয়াবি কত বিষয় পড়েছি অথচ মহান আল্লহ আমাদের জন্য কি বার্তা পাঠিয়েছেন, তার সব জানিনা। কত মূর্খ! সেই থেকে শুরু দুয়া, আল্লহ যদি মাদরাসায় পড়তে পারতাম! ''আমাকে মাদরাসায় ভর্তি করে দেও', বাসায় এ কথা বলার সাহস পেতাম না। কারণ জেনারেলে পড়ে অনেক খরচ হয়েছে। আবার এই সময়ে নতুন করে বাইরে গিয়ে পড়া শুরু করা সহজ ছিল না। কলেজে পড়ানো শুরু করলাম, তখন এত বুঝ ছিল না। জানতাম পর্দা করেও মেয়েরা জব করতে পারবে। কিন্তু ডিটেলস জানতাম না। এভাবেই অনেক সময় পার হল। আল্লহ আবার সুজোগ দিলেন। জব ছেড়ে দিলাম। আবার সেই মাদরাসায় পড়ার চিন্তা জাগ্রত হল। খুব দুয়া করতাম, অনেক অনেক। কান্না করে দুয়া করতাম। আমার আম্মু বলত, 'আল্লহ ঘরে বসেই তোমাকে মাদরাসায় পড়াবে। আল্লহর কাছে দুয়া কর'। এই কথাটা খুব অবাক লাগত। ঘরে বসে কিভাবে মাদরাসায় পড়ব। তখন অনলাইনে বাংলাদেশে কোন কওমি মাদরাসা ছিল না, আমার জানামতে কোন আলেমা শর্ট কোর্সও ছিল না। তাই এই বিষয়ে ধারনাই ছিল না যে ঘরে বসে আলেমা পড়া যায় অনলাইনে। ২০১৮ সালের রমজান এর সময়, ফেসবুক স্ক্রল করতে গিয়ে একটি গ্রুপ চোখে পড়ল ' ইন্টারনেট মাদরাসা ' ঘরে বসে অনলাইনে সম্পূর্ণ কওমি সিলেবাসে আলেম/আলেমা হওয়ার সুজোগ। কেমন যেন গুরুত্ব দিলাম না। এটা এমনি এমনি ভাবতাম। তার কিছুদিন পর ফ্রেন্ড লিস্টে তৃষা নামে এক আপুর স্টোরিতে মাদরাসার ছবি দেখলাম। এরপর আপুর সাথে কথা বলে জয়েন হলাম। বাট তখন ফরজে আইন কোর্সে জয়েন হয়েছিলাম, তখনও আলেমা কোর্স শুরু হয় নাই । ১০/১২ দিন ক্লাস করার পর, আমাদের উস্তাদ হযরত মাওলানা হাসিবুর রহমান হাফিজাহুল্লাহ ক্লাসে কথা বললেন, আমরা চাইলে এ বছরই আলেমা কোর্স শুরু করবেন। আমার সাথে আরও ১৩/১৪ জন, মানে আমরা ১৪/১৫ জন মিলে খুব অনুরোধ করলাম এবারই যেন আলেমা কোর্স শুরু হয়। উস্তাদ ক্লাস শুরু করলেন.. সেই থেকে শুরু। মহান আল্লহ তায়ালা উস্তাদকে দু'জাহানে কামিয়াব করুন। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার। আজ ৬ বছর চোখের পলকে চলে গেল! আমার এসো আরবি শিখি খাতা , মিযান খাতা আলাদা ছিল। আমি রেগুলার হোম ওয়ার্ক করতাম। সারাদিন পড়তাম। মিযান খাতা অনেক সুন্দর করে বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আরবীতে লিখে এরপর হোম ওয়ার্ক শুরু করতাম। প্রথম দিকে আরবি দেখে লিখতাম। পরে না দেখেই লেখা শিখলাম। টানা দুই সেমিস্টার একদিনও ক্লাস মিস দেই নাই। খাটে কিতাব -খাতা নিয়ে ঘুমাতাম, ঘুম থেকে উঠে আবার পড়তাম। রাতে ঘুমের মধ্যে পড়তাম। পড়তে কম পারব দেখে, খেতে যেতাম না অন্য রুমে। আম্মু এসে খাইয়ে দিত। আমাকে বলত 'ভালো করে পড়, আলেমা পড়া ছাড়বা না। তুমি ভালো করবা'। খুব দুয়া করত আমার জন্য। প্রতি নামাযে দুয়া করত। আম্মু হঠাৎ ইন্তেকাল করলেন। আল্লহ আমার মাকে জান্নাতবাসী করুন। পড়ার অবস্থা নড়বড়ে হতে থাকল। ক্লাসে উস্তাদ নসীহা করতেন অনেক। এত লং টাইম, এই বয়সে সবর করে এক জায়গায় আটকে থাকা কঠিন। পড়া বুঝতাম না। উস্তাদ বলতেন, ’ বুঝলে ভালো, না বুঝলে আরও ভালো। লেগে থাকেন। নিয়মিত ক্লাস করেন, মুতায়ালা করেন, মুজাকারা করেন। এই পড়া সামনে আরও পাবেন। একই বিষয় অনেক আসবে সামনে। লেগে থাকেন, দেখেন কি হয়’। মাদরাসায় খেদমতের সুজোগ হল আল্লহর অসীম দয়ায় এবং উস্তাদের উসিলায়। আলহামদুলিল্লাহ মাদরাসায় খেদমত, ক্লাসের পড়া এরই মাঝে বিয়ে, সংসার, বেবি। অনেক কিছু গ্যাপ হলেও সহপাঠীদের সহযোগিতা ভুলে যাওয়ার নয়। মাকসুদা আপু, আমার অনুপ্রেরণা। চার বাচ্চা নিয়ে ক্লাস করেন, ক্লাস করান, সংসার করেন। আপুকে দেখলে, খুব সাহস পেতাম। যখনই সরে যেতে চাইতাম শয়তানের প্ররোচনায়, আপু বলতেন ’ আপনার আম্মুর স্বপ্ন ছিল আপনি যেন আলেমা হতে পারেন। আপা পড়া ছেড়ে দিয়েন না। লেগে থাকেন’ একই বিষয় কতদিন আপু বলতেন! কতদিন পড়তে কল দিত। যখন বলতাম, তখনই ফ্রি হয়ে যেত আপু। আমি বলতাম আপু রান্না কখন করেন? আপু বলত ’ আপা সব সময় কিতাব সাথে থাকে। রান্না ঘরে প্লেট হাড়ি ধুই, ভর্তা করি আর পড়া দেখি’। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার আমাদের অনলাইন মাদরাসায় আমাদের আরবি গ্রামার যেভাবে শেখানো হয়েছে , অফলাইন মাদরাসায় এভাবে পড়ানো হয় না। অফলাইন মাদরাসায় পড়ে এসে, আমার গ্রামার পড়ানো দেখে আমার ননাশের মেয়ে বলছে, ’মামি আমাদের কিছুই বলে দেয় নাই, শুধু পড়তে বলছে। পড়াও নেয় নাই’। আমার হাসব্যান্ড একবার আমার পড়ানো দেখে বলেছিলেন, ’মাদ্রাসা থেকে ফারেগ অনেকেই এমন গ্রামার বুঝে না’। এটা আমার অহংকার না, আমার মাদরাসার গর্ব, আমরা এভাবেই বেসিক শিখতে পেরেছি,আমাদের উস্তাদের মাধ্যমে, যা আমাদেরদাওরাহ জামাত পর্যন্ত কাজে লাগছে আলহামদুলিল্লাহ। আমরা মেশকাত জামাত, দাওরাহ জামাতে এমন উস্তাদদের থেকে দারস নিতে পেরেছি, যা অফলাইন মাদরাসায়ও অনেকে এই সুজোগ পায় না। আমাদের উস্তাদগন হযরত মাওলানা লিয়াকত আলী হাফিজাহুল্লাহ উস্তাদ হযরত মাওলানা মহিউদ্দীন কাসেমী হাফিজাহুল্লাহ হুজুর হযরত মাওলানা তৌহিদুল ইসলাম মিশরী হাফিজাহুল্লাহ হুজুরের নসিহত প্রতি দারসে অতুলনীয়। হযরত মাওলানা আসাদুজ্জামান হাফিজাহুল্লাহ হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ সন্দীপ উস্তাদ হযরত মাওলানা শুয়াইব নাদভী হাফিজাহুল্লাহ, সবাই যার যার দারসে অতুলনীয় ছিলেন। - আমার হাসব্যান্ড মাঝে মাঝে যখন ওনাদের পড়ানো শুনতেন, আমাকে বলতেন ক্লাস করতে। উস্তাদগনের হক আদায় করতে পারিনি ঠিকঠাক কিন্তু ওনারা নিরলস পরিশ্রম করেছেন আমাদের জন্য। আমাদের মাদরাসার মুহতামিম হযরত মাওলানা হাসিবুর রহমান হাফিজাহুল্লাহ হুজুরের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ আমাদের জন্য অনলাইনে এমন সুজোগ করে দেয়ার জন্য। আল্লহর কাছে আমাদের সকল উস্তাদগনের দীর্ঘায়ু কামনা করি। আল্লহ আপনাদের দুনিয়া এবং আখিরাতের কল্যান দান করুন। আপনাদের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা যেন জীবনে কাজে লাগাতে পারি দুয়া করবেন আমাদের জন্য। আমাদের মাদ্রাসার মুহতামিম উস্তাদের নিকট আবেদন, হুজুর এই মাদরাসা থেকে বিদায় হতে চাইনা। জামাতের শেষ বর্ষ হলেও, আবার মাদরাসায় উস্তাদের দারস শুনতে চাই, আবার পড়তে চাই ইন শা আল্লহ। মৃত্যু পর্যন্ত মাদরাসার সাথে লেগে থাকতে চাই। যারা এই লেখা পড়বেন, আমার মায়ের জন্য দুয়া করবেন প্লিজ। যাদের মা আছে, মায়ের থেকে দুয়া নিবেন। আল্লহর শুকরিয়া আদায় করি, আমাকে এই লেখার তৌফিক দানের জন্য।

Photo

আলেমা

রোখসানা সুলতানা

পিতার নামঃ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম

SID: DWFA202324006

মাতার নামঃ মাহমুদা বিলকিস

বয়সঃ ৩৫ বছর

ঠিকানাঃ নওগাঁ, ঢাকা, বাংলাদেশ

পাশের সন ২০২৪

পেশাঃ ছাত্রী

অনুভূতিঃ আমার এখন কোন দুনিয়াবি পেশা নেই আলহামদুলিল্লাহ! একজন ত্বলেবাহ এটাই একমাত্র পরিচয়। بسم الله الرحمن الرحيم الحمد لله والصلاه والسلام على رسول الله اما بعد... মাদ্রাসার শুরু থেকে শেষ অবধি অনুভূতি লিখার কথা যখন উস্তায বলেছেন, তখন দুই চোখ দিয়ে ঝর ঝর করে পানি পড়ছে। মনের গহীনে লুকায়িত প্রতিটা ভালোলাগা খারাপ লাগার মুহূর্ত উকি দিচ্ছে। এই কথাগুলো এক শব্দে বর্ণনা করার মত না। আমরা যারা জেনারেল থেকে দ্বীনের পথে এসেছি, তারা সব চাইলাম আর পাইলাম ,এমনটা নয়। এই প্রতিটা নফসের আলাদা আলাদা কান্নার রঙ আছে।দ্বীনের পথে আসার সাথে সাথে এক সাথে হেঁটেছি প্রিয় মাদ্রাসার পথচলায়। আমরা যারা অনলাইনে বেজড দ্বীনী তারা সকলে আসলে আহলে হাদীস, সালাফী,হাম্বলী মাযহাবের হুজুরদের মতাদর্শের পাল্লায় পড়ি প্রথমে ।এরপর সাত ঘাটের কিনায় এসে সঠিক খুজেঁ পায়।এরমানে এই নয় যে সব মাহযাব ভুল। উস্তায এটা শিখায়নি।সবার ব্যাক্তিগত পছন্দ থাকে।তার প্রেক্ষিতে লিখছি। সেই শুরু থেকে উস্তায একটা কথা বলতেন, এইসব ইখতিলাফ এর মধ্য যাবেন না। ৫ টা বছর সময় দেন আপনি নিজেই বুজবেন্ন আপনাকে কি ফলো করতে হবে। যে আপুর মাধ্যমে মাদ্রাসায় আসা, আপুর নাম পপি ইব্রাহিম আপু,শুকরিয়া জন্য বলা। দ্বীন যখন মাত্র অন্তরের মধ্য এক চিলেত রোদের মত উকি দিল।তকন অনুভুব হতে লাগলো, জানতে হবে,শিখতে হবে। ওই ১০ টা সূরা, ওই টুকু জানা। সব কিছু আপডেট হয়।আমার কোন ইসলামের জ্ঞান নেই।কি করব কি করব? এরপর ফেসবুকের মধ্য ইসলামিক পেজ খুঁজতে লাগলাম।শুরু হল অনলাইন পড়াশুনা।৪/৫ দিন ক্লাস হইল ৭০% কুরআন ল্যাঙ্গুয়েজের। আপু ক্লাসে বললেন একটা মাদ্রাসা তে উনি ভর্তি হয়েছেন। আপুর বলার দেরী আর আমাদের কয়জন সাথে সাথে জিজ্ঞাসা করল,কই! সেই প্রথম আমার শোনা! ‘ইন্টারনেট মাদ্রাসা’ (পরে জানতে পারি,তালিমুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ ইন্টারনেট মাদ্রাসা। চাকরির সুবাদে, পড়াশুনা করতে পারতাম না, বুঝতাম না। বাসের মধ্য বসে বসে পড়তাম। মনে পড়ছে, সেই ফাআলা ফাআলালা গর্দান এর কথা! আমি আরবী থেকে বাংলায় লিখে লিখে মুখস্থ করতাম। প্রথমদিকে যখন কিছুই বুঝতাম না এবং এখনো যখন কিছুই বুঝিনা, তখন আমার প্রাণপ্রিয় উস্তায শুধু একটা কথায় বলতেন, লেগে থাকেন, জমে থাকেন। এরপর দেখেন মা যেমন তার সন্তানকে ধরে ধরে সব শিখায়, হাঁটা, চলা,বলা_আমাদের উস্তায মুহতারাম আমাদেরকে ঠিক সেইভাবে দ্বীনের পথে চলতে শিখার বুনিয়াদি শিক্ষা দিতে থেকেছেন মায়ের মত। একটা ক্লাস যেটা কিনা পুরা মাদ্রাসার সবার জন্য আবশ্যক,সেটা ইসলাহী মজলিসের ওপর একটা নাম উস্তাযর নসীহত,উস্তাযর আদেশ,উপদেশ। উস্তায এর ছোট ছোট পরামর্শ এই নতুন আলোর জীবন গড়তে কতটা সহায়ক এটা আমাদের মাদ্রাসার সব বাচ্চারা জানে। শয়তানের ধোঁকায় পড়ে আর নফসের ধোঁকায় পড়ে কতবার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি চলে যাব। প্রতিবারই ওস্তাদের পরামর্শ আবারো নতুন করে শুরু করার প্রেরণা। গতবছর আমার বাবা এর অসুস্থতায় ভেবেছি এই জামাত এত ক্লাস মিস আর পরীক্ষা দিব না। তবুও উস্তায নীচের ক্লাসে দেননি! উস্তাদ জোর দিয়েছেন আর কিভাবে কিভাবে যেন হয়ে গেছ। প্রথম যখন মাদ্রাসাতে ভর্তি এরপর হাজার প্রশ্ন উস্তাযকে করেছি, উস্তায তখন সব কথার উত্তরে শেষ বলতেন অপেক্ষা করার কথা। দাওরাহ হাদীস এসে সব প্রশ্নের উত্তরে আস্তে আস্তে জোট খুলতে শুরু করেছে! মেশকাত জামাতে যখন শারহুল আক্বীদাহ এবং আক্বীদাহ-ত্বহাবী পড়া হইল,তখন আরো প্রশ্নের উত্তর খুলে গেল! আমি ভাবতাম হয়ত মাদ্রাসা তে সীরাত নিয়ে কোন কিতাব নেই। এই ৪ বছরের ছোট এক কিতাব ছাড়া কিছুই পেলাম না! প্রথম যখন বুখারী সানী ক্লাস শুরু হইল,শুধু অবাক হয়ে শুনতাম! হায় কত সীরাতের কিতাব পড়েছি কোর্স করেছি তাও কিতাবুল মাগাযীতে এত ডিটেইলস আর কোথাও পড়িনি। বুখারী আউয়াল ক্লাসের উস্তায মুহতারাম এতটা দরদ দিয়ে দরস দেন, উনি ক্লাসে কতবার কেঁদেছেন,এটা হয়ত আমরা সবাই জানি। দারুল রাশেদের সন্মানিত হযরত মাওলানা লিয়াকত আলী উস্তায এত সরল উদ্দীপ্তমনা ,হাসির ছলে কত কঠিন বিষয় সহজ করে বলেন। কাসেমী উস্তায, সন্ধীপ উস্তায, আমাদের প্রিয় মুসলিম সানি, উস্তায ক্লাসগুলো এতটা প্রাণবন্ত যে ঘন্টার পর ঘন্টা ক্লাসগুলো কখনো কষ্ট দেয় মনে হয়নি। জানি বেয়াদবি করেছি না বুঝে না শুনে,অজান্তে। আর উস্তাদের হক তো বিন্দুমাত্র আদায় করতে পারিনি।তবুও তাদের নসীহত গুলো জীবনের পাথেয়। দেখতে দেখতে চোখের পলকে এই শেষ সময়ে কত কথা যে বলতে মনে চায়। প্রিয় সহপাঠীরা!একসাথে থাকলেই ভাইবোনদের ঝগড়া হয়,আবার মিল হয়।আমরা তেমন আশাকরি দ্বীন শেষে ঘরে ফিরে আসি। কত কেউ তো ছিল ভালো স্টুডেন্ট, জ্ঞানী গুণী মানুষ শুধু,উস্তায এর কথামত শুধু এইটুকু মিলিয়ে দেখি, যে নিজের বুঝে চলবে ,মুরুব্বির পরামর্শ ছাড়া,সে হারিয়ে যায়। হয়ত উস্তায এর দুআ যার জন্য আমরা হয়ত ইলম অর্জনের রাস্তায় নামতে সাহস পাচ্ছি. উস্তায হাজারো ভুল করে ক্ষমার আশায় রইলাম। যেমন করে ইলমের সাথে আছি ,ছিলাম আর যেন থাকতে পারি, মানুষ যেন হতে পারি. তাওয়াক্কুল এবং সবরের সাথে যেন জীবন সাজাতে পারি..

আলেম/আলেমা পরবর্তী একাডেমিক সেশন শুরু হতে বাকি

  • Days
  • Hours
  • Mins
  • Secs
  • যারা ইন্টারনেট মাদ্রাসা থেকে হিফজ সম্পন্ন করেছেন

    Photo

    হাফেজা

    নাজিফা তাসনিম সাবা

    পিতার নামঃ ডা. নাছির আহমেদ

    মাতার নামঃ নুরজাহান বেগম

    ঠিকানাঃ রাজশাহী,বাংলাদেশ (বর্তমানে সিডনি,অস্ট্রেলিয়া)

    পাশের সন ফেব্রুয়ারি,২০২২

    পেশাঃ ছাত্রী

    হিফজের সময়সীমাঃ ১ বছর ৫ মাস

    অনুভূতিঃ Alhamdulillah, amar shesh hoise, Allahr kase onek oneek shukria, tokhon mone hoiache amar ei hifz er journey abar start holo, er shathe lege thakte hobe ar aro grow korte hobe, onek duur jete hobe inshaAllah

    Photo

    হাফেজা

    খাদিজা মুসাদ্দিকা

    পিতার নামঃ ডা. মো. আসিফুল ইসলাম

    মাতার নামঃ মাহফুজা ইয়াছমিন

    ঠিকানাঃ ওহাইও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

    পাশের সন ২০২৩

    পেশাঃ ছাত্রী

    হিফজের সময়সীমাঃ ৫ বছর

    অনুভূতিঃ Alhamdulillah, hifz kora onek kothin, ami shesh korte perechi, Allahr rohmote. Inshallah ami sara jibon hifz dhore rakhte parbo

    Photo

    হাফেজা

    আয়শা

    পিতার নামঃ নুর আল-আমিন

    মাতার নামঃ আরিফা নুর

    ঠিকানাঃ সৌদিআরাব

    পাশের সন ২০২৩

    পেশাঃ ছাত্রী

    হিফজের সময়সীমাঃ ৩ বছর ৫ মাস

    Photo

    হাফেজা

    তাবাস্সুম

    পিতার নামঃ মরহুম হাফেজ মাওলানা মুজীবুর রহমান

    মাতার নামঃ শামসুন্নাহার

    ঠিকানাঃ 40/12,পশ্চিম ভাষানটেক, দেওয়ানপারার মোড় (বাইতুল মাবুদ জামে মসজিদ এর সামনে),বাংলাদেশ

    পাশের সন ২০২৩

    পেশাঃ গৃহীনি

    হিফজের সময়সীমাঃ ১ বছর ৩ মাস

    অনুভূতিঃ কখন বলব ইনশাআল্লাহ আবার পুরোটা পড়তে পারব যেদিন

    See More

    Live Broadcasting offair

    Get Mobile App

    খতমে বুখারী ও ইলমী ইজতেমা

    After
    Remaining...
    Tuesday Bayan at Khanqah

    আমাদের একাডেমিক ক্লাস সমূহ

    কেন আমরাই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণের প্রথম পছন্দ?

    আসসালামু আলাইকুম। সকল প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার। এই মাদ্রাসা আমাকে কী দিয়েছে সেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এক বছর আগের আমি আর এক বছর পরের আমি- পার্থক্যটা খুবই স্পষ্ট এবং অকল্পনীয়। আজ আমি যখন কুরআন পড়ে এবং হাদীস ও ফিকহ-এর হারাকাত বিহীন আরবি কিতাবগুলোর ইবারত পড়ে তাহকীক ও তারকীব করতে পারি (আলহামদুলিল্লাহ), সত্যিই তখন চোখ দু'টো আপনিই অশ্রুশিক্ত হয়ে যায় (আনন্দে)। সাথে সাথে দু'আ চলে আসে মন থেকে। আল্লাহ তা'আলা এই মাদ্রাসাটিকে কবুল করুন, বারাকাহ দান করুন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

    Anonymous

    Anonymous

    Best online madrasa I have seen. Even, more better than most female offline madrasa. A great chance of gaining knowledge over Arabic, Quran, Fikh and religion for school background people. Effective learning through numerous classes, exams and vibas. May Allah enrich this madrasa day by day, amin.

    Anonymous

    Anonymous

    আমার মাদরাসা আমার ভালবাসা❤️মাদরাসা নিয়ে লিখাটা আমার জন্য শুধুই কর্তব্য না ,বরং ভালবাসাও বটে ! এখানে পড়তে আসার পর থেকে কেথায় দিয়ে দিন যাচ্ছে কোথায় দিয়ে রাত ....ওয়াললাহি গুনাহ করার সময় নাই। বলেন তো এর চাইতে ফায়দামান আর কি হতে পারে ? জি, আসলেই আমার মাদরাসায় যারাই একটু সিরিয়াসলি মনোযোগ দিবে,জমে বসে যাবে, সে তার মেধা যেমন ই হোক .. তার জন্য গুনাহ করা দুস্কর হবে। যেমন অযথা ফেসবুকিং করা, ফোনে কথা বলা, গসিপ করা ..কোন কিছুর জন্য সময় হবে না নিজের এক্সপেরিয়্নস থেকেই বলছি। যাক শুরু থেকে এ যাবত কখন যে ঘন্টা, মিনিট ফুরায় হিসাব করার মত ফুরসত টুকু নাই এখন।জব টা ছেড়ে দিবার পর In fact জাহিলিয়াতের জীবনের পরে ..আল্লাহর কৃপায় যখন থেকে মানুষ হলাম খুব আফসোস করতাম যে ইসলাম সম্পর্কে জানিনা ।কত কিছু জানার বুঝার আছে ..ই

    Anonymous

    Anonymous

    আলহামদুলিল্লাহ!!! "ইন্টারনেট মাদরাসা" আল্লাহ তাআলার একটি নিয়ামত।অনলাইনে জেনারেল শিক্ষিতদের জন্য বিশ্ববিখ্যাত দরসে নেযামী তথা কওমী মাদরাসার সিলেবাস অধ্যায়নের মাধ্যমে আলিম হওয়ার সুযোগ। আমার জানামতে বাংলাদেশে এটিই একমাত্র অনলাইন প্রতিষ্ঠান যেখানে পুরোপুরি কওমী মাদরাসার সিলেবাসকে অনুসরন করে থাকে।আর এ মাদরাসা গতানুগতিক অন্যান্য অনলাইন প্রতিষ্ঠানের মত নয়,অফলাইনের মত কার্যকরী।অফলাইন মাদরাসার মত চাপ,শাসন,মহব্বত সবই আছে।আল্লাহ তাআলা এ মাদরাসা ও সম্মানিত উস্তাযগনকে বারকা দান করুন।আমিন

    Anonymous

    Anonymous

    আমাদের সাথে যুক্ত আছেন

    1683+

    Students Globally

    900+

    Madrasa Students

    147+

    Running Course

    20+

    Total Teachers

    Events

    24
    Jan 2024
    এতদ্বারা সরকারের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ৭ই মার্চ ২০২৪ রোজ বৃহস্পতিবার (সম্ভাব্য তারিখ) তালিমুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ ইন্টারনেট মাদ্রাসা কর্তৃক খতমে কুরআন ও খতমে বুখারী এবং মাদ্রাসার ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে সকলের উপস্থিতি কামনা করছি।

    -141 days left

    8
    Feb 2024
    এতদ্বারা সরকারের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ৭ই মার্চ ২০২৪ রোজ বৃহস্পতিবার (সম্ভাব্য তারিখ) তালিমুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ ইন্টারনেট মাদ্রাসা কর্তৃক খতমে কুরআন ও খতমে বুখারী এবং মাদ্রাসার ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে সকলের উপস্থিতি কামনা করছি।

    -141 days left

    View all Events

    আমাদের মাদ্রাসার তলেব/তলেবাদের কার্যক্রমসমূহ

    Chat on WhatsApp